
মাশরাফির বিরুদ্ধে আরো এক মামলা বাবাসহ আসামি ৬৪৫ জন
- আপলোড সময় : ১১-১২-২০২৪ ০৩:১৫:৫২ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-১২-২০২৪ ০৩:১৫:৫২ অপরাহ্ন


আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও নড়াইল-২ আসনের (লোহাগড়া ও নড়াইল সদরের একাংশ) সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজার বিরুদ্ধে হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়েছে। মামলায় তাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এতে মাশরাফি ও তার বাবাসহ ২৯৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৩০০-৩৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে লোহাগড়া থানায় বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নড়াইল জেলা শাখার মুখ্য সংগঠক কাজী ইয়াজুর রহমান। তিনি উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের দক্ষিণ লংকারচর গ্রামের শওকত কাজীর ছেলে। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা কর্মসূচিতে বের হয়। সকাল ১০টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা সদরের লক্ষ্মীপাশা আদর্শ বিদ্যালয় মাঠে ছাত্রছাত্রীরা জড়ো হলে তাদের পথরোধ করে, জীবননাশের হুমকি দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আসামিরা লক্ষ্মীপাশা সেতুতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা করেন। তাদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। আশপাশের বাড়ি ও দোকানপাট এবং বাস ও ইজিবাইক ভাঙচুর করেন। এতে ১৭ জনসহ অনেকে আহত হন। আসামিদের মধ্যে সরাসরি হামলাকারী, নির্দেশদাতা, পরিকল্পনাকারী ও ইন্ধনদাতা আছেন। আসামিদের মধ্যে কয়েকজন গত ১৪ জুলাই মামলার বাদী কাজী ইয়াজুর রহমানকে হত্যার হুমকি দেন এবং গত ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সদস্য শেখ সজীবকে বেধড়ক মারধর করেন। মামলার অন্যতম আসামিরা হলেন মাশরাফির বাবা গোলাম মুর্তজা, লোহাগড়ার সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম ফয়জুল হক, শিকদার আবদুল হান্নান ও সৈয়দ ফয়জুল আমির, সাবেক পৌর মেয়র মশিয়ূর রহমান এবং লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুন্সী আলাউদ্দীন, নয়জন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে লোহাগড়া থানার ওসি মো. আশিকুর রহমান বলেন, বাদীর এজাহারের ভিত্তিতে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এর আগেও নড়াইল সদর থানায় হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের আরেকটি মামলায় মাশরাফিকে আসামি করা হয়েছিল। ওই মামলায় মাশরাফি ও তার বাবা গোলাম মুর্তজাসহ ৯০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করা হয়।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ